মোঃ শাহ্ আলম মন্ডল, দিনাজপুর প্রতিনিধি: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ , ১০:৫৭:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামে দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্ভুক্ত চারটি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
এতে বিরামপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, হাকিমপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, ঘোড়াঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরাও বক্তব্য রাখেন।
প্রধান আলোচক ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তিনি আমাদের জাতিসত্তার রূপকার, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে দেশ গঠনে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তিনি আরও বলেন, সততার মাপকাঠিতে তিনি আজও অনন্য ও অদ্বিতীয়। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়েই তিনি দেশের অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটান এবং শক্ত হাতে চুরি, ডাকাতি ও দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরেন। অল্প সময়ের মধ্যেই জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে।
ডা. জাহিদ বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প, হিমায়িত খাদ্য, হস্তশিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে ওঠা শিশুকালীন গার্মেন্টস শিল্প আজ দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান বলে শেষ করা যাবে না।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের এবং বিগত সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নিহত সকলের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।




















