প্রতিনিধি ৭ জুন ২০২৬ , ৮:৩৮:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র হেডকোয়ার্টার্সে মাসব্যাপী র্যালী ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলছে। ওয়ালটনের এনভায়রনমেন্ট, হেল্থ অ্যান্ড সেইফটি (ইএইচএস) বিভাগের উদ্যোগে ওই কর্মসূচী পালিত হচ্ছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রোববার ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদেক্ষপ, আগামীর নিরাপত্তা’ প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র্যালি, আইডিয়া শেয়ারিং ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে পরিবেশ দিবসটি পালিত হয়। সকালে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
জানা গেছে, এবার মাসব্যাপী নানা আয়োজনে ইএইচএস বিভাগের উদ্যোগে চলতি বছরের ১৯ মে থেকে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন কার্যক্রম শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে আজ ৭ জুন স্থানীয় বিশাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে কমিউনিটি এওয়ার্নেস প্রোগ্রাম, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র বিষয়ের ওপর আয়োজিত বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি ওয়ালটন হেডকোয়ার্টাসের্র আশেপাশের এলাকা থেকে প্লাস্টিক কালেকশন ও রিসাইকেল এবং স্থানীয়দের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়। আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য র্যালির। ব্যানার, ফেস্টুন এবং পরিবেশবান্ধব স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে ওয়ালটন পরিবারের সদস্যগণ র্যালিতে অংশ নেন।
র্যালি শেষে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ ও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় করণীয় ও ওয়ালটনের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগসহ নানা বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী এবং ইএইচএস বিভাগের প্রধান মেস্তাফিজুর রহমান রাজুসহ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী জানান, ওয়ালটন কেবল প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনই করে না বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শুরু থেকেই প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। কারখানা প্রাঙ্গণে ক্ষতিকারক রাসায়নিকের সঠিক ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য শোধন এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। এসময় ২০২৬ সালের বৈশ্বিক স্লোগানকে ধারণ করে গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে তোলার এই ধারা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
ইএইচএস বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু বলেন, ‘আমাদের শিল্পাঞ্চলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রোধ করতে আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলছি। ক্ষতিকর রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, তরল বর্জ্য শোধনাগারের সার্বক্ষণিক কার্যকারিতা এবং শতভাগ প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার প্রক্রিয়া আমরা নিশ্চিত করেছি। আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী এবং সচেতনতা ক্যাম্পেইন আমাদের সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ।’
রেফ্রিজারেটর প্রোডাকশন বিভাগের প্রধান নাসির উদ্দীন, মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান কাউসার উদ্দীন চৌধুরী এবং প্রশাসন বিভাগের প্রধান তানভীর আহম্মেদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।














