প্রতিনিধি ১৭ আগস্ট ২০২৬ , ৯:৩২:১৭ প্রিন্ট সংস্করণ
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে নতুন করে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার গ্রিনীচ মান সময় রাত ১২ টা ৪৫ এর দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। বার্তাসংস্থা এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
জার্মানির জিওসায়েন্স রিসার্চ সেন্টার (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এর আগে শনিবার স্থানীয় সময় ভোরের কিছুক্ষণ আগে ফ্লোরেস দ্বীপের উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। এর গভীরতাও ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পে অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়েছেন। দুর্গম নাজেওকো রিজেন্সিতে উদ্ধারকারীদের পৌঁছাতে ব্যাপক সমস্যার কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিধসে সড়ক অবরুদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে।
শনিবারের ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস দ্বীপে ২৩০টির বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের সুমাত্রা দ্বীপেও ৬ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাবে ১৫৭টি বাড়ি গুরুতরভাবে, ৪১টি মাঝারিভাবে এবং ১৪৮টি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ৮৭টি স্কুল, ১৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পাঁচটি উপাসনালয় এবং ছয়টি সরকারি-বেসরকারি অফিস ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নতুন ভূমিকম্পের পর সোমবারও ফ্লোরেসে উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত ছিল। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।















