প্রতিনিধি ২১ মে ২০২৬ , ১২:৩৩:১১ প্রিন্ট সংস্করণ
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সম্ভাব্য অস্ত্র বিক্রি নিয়ে সরাসরি কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৯৭৯ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে এটি হতে পারে প্রথম সরাসরি যোগাযোগ। কূটনৈতিকভাবে এ যোগাযোগকে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি লাই চিং-তের সঙ্গে কথা বলব। তাইওয়ান সমস্যা নিয়ে আমরা কাজ করব।’
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে এসেছে। ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্ত অবস্থান নিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং মার্কিন আইনের অধীনে দ্বীপটির আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখতে হচ্ছে।
ট্রাম্প জানান, তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ বিক্রির বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্যাকেজে ড্রোন প্রতিরোধকারী সরঞ্জাম ও আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাকতে পারে।
এছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আশ্বাস দিয়েছিল যে, তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে পরামর্শ করবে না। তবে বেইজিং সফর শেষে বিমানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আশির দশক অনেক আগের কথা।’
গত ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়, যা এ পর্যন্ত অন্যতম বড় সামরিক চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তখন এ সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল চীন।




















