বিনোদন

জেমস ও তার টিমের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ, ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বললেন ম্যানেজার

  প্রতিনিধি ২০ আগস্ট ২০২৬ , ১:৩৯:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ

ইতালির রোমে কনসার্ট শেষে বিতর্কে জড়ালেন নগর বাউল’খ্যাত ব্যান্ড তারকা জেমস ও তার টিম। তাদের বিরুদ্ধে হোটেল রুম নোংরা ও অগোছালো রেখেই প্রস্তান করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই ঘটনায় ন্যূনতম ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। তবে এ অভিযোগকে ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বলে দাবি করেছেন জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন।

গেল রোববার (১৬ আগস্ট) রোমের একটি কনসার্টে অংশ নিতে গিয়ে জেমস ও তার সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেন। কিন্তু চেক-আউটের পর সেই রুমের কিছু ছবি এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আয়োজক প্রতিনিধির কথোপকথনের স্ক্রিনশট সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়েই তারা হোটেল রুম ত্যাগ করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষের পাঠানো কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, রুমের মেঝেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পানির বোতলসহ বিভিন্ন আবর্জনা, ডাইনিং টেবিলে ব্যবহৃত প্লেট, পলিথিন ব্যাগ ও খাবারের উচ্ছিষ্ট এলোমেলো পড়ে আছে। এ ছাড়া রান্নাঘরের সিঙ্কে নোংরা থালা-বাসনের ওপর কাঁচা ডিম পড়ে থাকতে দেখা যায়।

হোটেল কর্তৃপক্ষের বার্তায় আয়োজক প্রতিনিধিকে রুমের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে হোটেলটির সুবিধা ব্যবহার করতে হলে চূড়ান্ত পরিচ্ছন্নতার জন্য ন্যূনতম ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে বলেও জানানো হয়।

তবে হোটেল রুম নোংরা করার অভিযোগকে ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বলে দাবি করেছেন জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। এমনকি হোটেলের নিয়ম না মেনে বা রিসেপশনে যোগাযোগ না করে চলে যাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।

গণমাধ্যমকে রবিন জানান, জেমস ও তার টিমের সদস্যরা মোট ৪টি কক্ষে ছিলেন। এর মধ্যে জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে এবং তিনি নিজে ছিলেন ২৪৬ নম্বর কক্ষে। হোটেল কর্তৃপক্ষ যে ৫৪৯ নম্বর কক্ষ নোংরা অবস্থায় পাওয়ার অভিযোগ করেছে, সেখানে অন্য একজন মিউজিশিয়ান ছিলেন।

রবিনের ভাষ্য, ‘জেমস ওই কক্ষে ছিলেন না। তাই একজনের কক্ষের অবস্থার দায়ভার জেমসের ওপর বর্তায় না।’

অন্যদিকে, জেমসের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন ইতালির আয়োজক হোসাইন আহমেদ মোয়াজ। তার দাবি, কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির অর্থের হিসাব নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং রবিন এসব অর্থের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এ ছাড়া অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠানোর অভিযোগও করেছেন ওই আয়োজক। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রবিন কিংবা জেমসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও খবর

Sponsered content