এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী): ৭ নভেম্বর ২০২৬ , ১:০৬:২৮ প্রিন্ট সংস্করণ
সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে শ্যামাপূজার সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের অবকাশে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সাগরকন্যা কুয়াকাটা। সাগরের ঢেউ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন পর্যটকেরা। তাঁদের উপস্থিতিতে সৈকতজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। হোটেল-মোটেলগুলোতে শতভাগ কক্ষ বুকিং হওয়ায় পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই সৈকতে পর্যটকদের আগমন বাড়তে শুরু করে। শুক্রবার সকাল থেকে জিরো পয়েন্টসহ পুরো সৈকতে দেখা যায় পর্যটকদের সরব উপস্থিতি। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে আনন্দে মেতেছেন, কেউ ছোট-বড় ঢেউয়ের সঙ্গে খুনসুটিতে ব্যস্ত। আবার কেউ বালুচরে খেলাধুলা করছেন। কেউবা সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন সাগরের সৌন্দর্য।

শুধু জিরো পয়েন্ট নয়, প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতের লেম্বুরবন, চর গঙ্গামতিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটেও বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ছুটির আনন্দ ভাগাভাগি করতে দূরদূরান্ত থেকে কুয়াকাটায় আসছেন নানা বয়সী মানুষ।
পর্যটকদের আগমনে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান, ফটোগ্রাফার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়েছে। বাড়তি বেচাকেনায় স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর পর্যটকদের এমন উপস্থিতিতে খুশি পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
ঝিনুক দোকানি মো. ইয়াসিন বলেন, তিন দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। এতে তাঁদের বেচাকেনাও বেড়েছে।
হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোতালেব শরীফ বলেন, তিন দিনের ছুটিতে অনেক পর্যটক এসেছেন। এভাবে সারা বছর পর্যটকদের উপস্থিতি থাকলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন পুলিশ ও থানা পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় পৌর প্রশাসন সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।















