সারাদেশ

মোটরসাইকেলে অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবিতে যশোরে বাইকারদের মানববন্ধন

  এম. আমিরুল ইসলাম জীবন, স্টাফ রিপোর্টার ১৭ মে ২০২৬ , ৯:০৮:৩২ প্রিন্ট সংস্করণ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর অগ্রিম আয়কর (AIT) আরোপের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে যশোরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ বাইকার অ্যাসোসিয়েশন, যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন বাইকিং কমিউনিটির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন বাইকার অংশ নেন।

মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন যশোর বাইকিং কমিউনিটির অ্যাডমিন ও সংগঠনের সভাপতি এস কে সুজন। পরে অংশগ্রহণকারীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যশোর বাইকিং কমিউনিটি ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের অ্যাডমিন পিয়াল, যশোর ফায়ার রাইডার্সের অ্যাডমিন রাব্বি, যশোর স্কোয়াড রাইডার্সের অ্যাডমিন কাজী রাকিব, ডেঞ্জারাস বাইক রাইডার্সের অ্যাডমিন পিএইচ রকি, সিটি রাইডার্সের অ্যাডমিন শহিদুল, ফ্রিডম বাইক রাইডার্সের অ্যাডমিন সাগর এবং যশোর দেশি বাইকারের কো-অর্ডিনেটর ইমরানসহ অন্যান্যরা।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে ১১০-১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য বার্ষিক ২ হাজার টাকা, ১২৬-১৬৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের জন্য ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে দেশের লাখো মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে মোটরসাইকেল শুধু শখের বাহন নয়, বরং অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রাইড শেয়ার চালক এবং বিভিন্ন পেশাজীবীর দৈনন্দিন যাতায়াত ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পাশাপাশি নারী মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের নিরাপদ ও স্বাধীন চলাচলেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তারা আরও বলেন, বৈধভাবে মোটরসাইকেল ক্রয়, রেজিস্ট্রেশন ফি, রোড ট্যাক্স, ফিটনেস, বীমা এবং জ্বালানির ওপর বিদ্যমান কর পরিশোধের পর নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে।

স্মারকলিপিতে মোটরসাইকেলের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার বা যৌক্তিকভাবে পুনর্বিবেচনা, মোটরসাইকেলকে বিলাসপণ্য হিসেবে বিবেচনা না করা এবং পরিবহন খাতকে জনবান্ধব রাখার দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে তাদের দাবি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

আরও খবর

Sponsered content