প্রতিনিধি ২ জুলাই ২০২৬ , ১২:০৫:৫২ প্রিন্ট সংস্করণ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পরিদর্শন করেছেন স্লোভেনিয়ার সাবেক এমপি, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সেক্রেটারি অব স্টেট টাডেজ স্ল্যাপনিক।
গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত এ সফরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ডিজিটাল রূপান্তর, সামাজিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্লকচেইন প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় তাকে স্বাগত জানান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল , বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ একাডেমিক ব্যক্তিবর্গ এবং কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল অর্থনীতি, সামাজিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়। বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষ নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের ইউথিংক সেন্টারের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যালেক্স ওয়াং। তিনিও সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।
পরে অতিথিরা ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা উদ্যোগ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং উদ্ভাবনকেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত হন।
টাডেজ স্ল্যাপনিক বর্তমানে ইউরোপ-এশিয়া সেন্টার অন ডিজিটাল ইকোনমি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইনোভেশন-এর কো-চেয়ার, হাই-লেভেল গ্রুপ অন ব্লকচেইন ফর দ্য এসডিজিস-এর কো-চেয়ার এবং ওয়ার্ল্ড ব্লকচেইন হাব-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্লকচেইন প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে তার দীর্ঘদিনের কাজ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মাধ্যমে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।




















