আবুল কাশেম রুমন, সিলেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ , ২:০৭:৩০ প্রিন্ট সংস্করণ
পরিকল্পিত নগর গঠন, সুশৃঙ্খল নগরায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। সংস্থাটির পূর্বানুমোদন ছাড়া যেকোনো ধরনের ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিউকের আওতাধীন এলাকায় ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের জন্য আবেদন সিউকের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। সিউকের কার্যালয়ের ঠিকানা—২৯/এ ফরচুন গার্ডেন, বঙ্গবীর রোড, নাইওরপুল, সিলেট।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ইমারত নির্মাণ আইন-১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি)-২০২০ অনুসরণ করতে হবে। এ জন্য সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা ও নকশা প্রণয়ন করে আবেদন দাখিল করতে হবে।

এ ছাড়া রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সব ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে সিউকে নিবন্ধিত হতে হবে। অনুমোদিত নকশা অনুযায়ীই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে অবৈধ দখল, জলাশয় ভরাট এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৩-এর ৫৪ ধারার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর সিউকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নেওয়া অনুমোদন অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।
আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে সিউক।
নগরবাসীকে ভবন নির্মাণ, ভূমি ব্যবহার কিংবা এ-সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম শুরুর আগে সিউকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।





















