শফিউল মঞ্জুর ফরিদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি ২ এপ্রিল ২০২৬ , ৭:০৬:৪৩ প্রিন্ট সংস্করণ
ফরিদপুরের টেপাখোলায় অবৈধ মাটি কাটার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহতরা হলেন—সাপ্তাহিক বাংলা সংবাদ-এর প্রতিনিধি জনি বিশ্বাস এবং দৈনিক ঢাকার সময়-এর জেলা প্রতিনিধি জান্নাতুল নাঈম। তাদের মধ্যে জনি বিশ্বাস গুরুতর আহত অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ভিডিও ধারণের সময় একদল লোক সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এতে তারা আহত হন। এক পর্যায়ে তাদের আটকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটির সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় কিছু লোক সড়কে মাটি ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ফরিদপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
সাংবাদিক ইউনিয়ন ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যরা এই ঘটনাকে ‘গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরা’র শামিল বলে অভিহিত করেছেন।
নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত হামলাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ঘেরাওসহ বৃহত্তর কর্মসূচি পালন করা হবে। স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা বলেন “রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা আর বরদাশত করা হবে না। প্রশাসনের উচিত এখনই এই মাফিয়াদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া।”
ফরিদপুর সদর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।




















