প্রতিনিধি ৫ নভেম্বর ২০২৬ , ৬:৩৭:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচ্চশিক্ষা অর্জন ও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে নিজেদের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার মর্যাদাপূর্ণ ‘এশিয়া ই ইউনিভার্সিটি’ থেকে আইএসইউ-এর ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এইচ.টি.এম. কাদের নেওয়াজ সফলভাবে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করা উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাখালী ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইএসইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল খান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা লগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রায় ড. কাদের নেওয়াজের অসামান্য অবদান রয়েছে। তাঁর এই পিএইচডি অর্জন কেবল ব্যক্তিগত কোনো সাফল্য নয়, বরং পুরো আইএসইউ পরিবারের জন্য এক বিরাট গৌরবের বিষয়।”
বিশ্ববিদ্যালয়টিকে সম্পূর্ণ গবেষণাভিত্তিক এবং পিএইচডি-সমৃদ্ধ একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষকদের দ্রুত পিএইচডি সম্পন্ন করার এবং বৈশ্বিক মানের প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় যুক্ত হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে আইএসইউ-এর অন্তত ১০ জন শিক্ষককে মালয়েশিয়ায় উচ্চতর পিএইচডি গবেষণার সুযোগ করে দেওয়া হবে। শিক্ষকদের সার্বিক প্রচেষ্টায় আইএসইউ-কে দেশের অন্যতম শীর্ষ পাঁচটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় উন্নীত করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি অধ্যাপক ড. এইচ.টি.এম. কাদের নেওয়াজ তাঁর অর্জনের নেপথ্যে উপাচার্যের নিরবচ্ছিন্ন দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির জন্য উচ্চশিক্ষা এবং ধারাবাহিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। মানসম্মত গবেষণাই একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও উৎকর্ষ অর্জনের মূল ভিত্তি।”
আইএসইউ-এর শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম, আইকিউএসি (IQAC)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ একরামুল হক, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিকসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দ।





















