সারাদেশ

অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন যাচাইয়ে কাজ শুরু হয়েছে: ফেনীর জেলা প্রশাসক

  জাহিদ হাসান চৌধুরী, ফেনী প্রতিনিধি: ২১ জুন ২০২৬ , ১০:১৮:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ

ফেনীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা হক বলেছেন, জেলায় অনলাইন গণমাধ্যমের সংখ্যা যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেগুলোর যথাযথ অনুমোদন ও নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

শনিবার রাতে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন সেন্টারে সাপ্তাহিক ভোরের ফেনী পত্রিকার আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, “ভোরের ফেনী পত্রিকার কাছে আমাদের প্রত্যাশা, এটি স্থানীয় সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সরকারের ইতিবাচক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরবে। পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে যেসব নেতিবাচক চর্চার কথা মাঝে মাঝে শোনা যায়, সেসব বিতর্ক থেকে দূরে থেকে পত্রিকাটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক ও ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.কে.এম. ফয়সল এবং দৈনিক আমার কাগজ সম্পাদক ফজলুল হক ভূঁইয়া রানা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, ড্যাবের জেলা সেক্রেটারি ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন, ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক ও ইয়াকুব নবী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুক, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা মোজাফফর আহমদ জাফরী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার, সদস্য সচিব নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত এবং জনতার পার্টির চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ভোরের ফেনী পত্রিকার সম্পাদক আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজন অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা স্থানীয় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন এবং বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও খবর

Sponsered content