প্রতিনিধি ২৫ মে ২০২৬ , ৮:০৪:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ
গাজীপুরের শ্রীপুরে চতুর্থ শ্রেণীর এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠছে এক ইমামের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিকেলে অভিযুক্ত খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীপুর থানাপুলিশ।
অভিযুক্ত মো. খোরশেদ আলম (৫৫) স্থানীয় একটি মসজিদে ইমামতি করেন।
স্থানীয়রা জানান, খোরশেদ আলম একজন লম্পট প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি পুনরায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। এলাকাবাসী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বলে, ‘জেঠি প্রায় রাতে আমাকে তাদের বাড়িতে রাখত। তিনি ঘুমিয়ে পড়লে জেঠা আমাকে বিভিন্ন স্থানে যৌন নিপীড়ন করত। অনুমান একমাস পূর্বে একদিন রাতে আমি তাদের বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম। জেঠা আমার জামা-কাপড় খুলে ফেলে। পরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি ডাকচিৎকার দিলে জেঠির ঘুম ভেঙে যায়। তারা আমাকে হুমকি দেয় কাউকে বললে আমাকে মেরে ফেলবে। আমার বাবা বাড়িতে ছিল না। তাই ভয়ে বিষয়টি কাউকে বলতে পারিনি।’
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘খোরশেদ আলম আমার বড় জেঠাতো ভাই। আমি সৌদি প্রবাসে থাকি। এক বছর পূর্বে তিন সন্তান ফেলে স্ত্রী অন্যের সঙ্গে চলে গেছে। আমার ছেলে-মেয়েরা বাড়িতে দাদার সাথে থাকে। খোরশেদের স্ত্রী বিভিন্ন সময় আমার মেয়েকে রাতের বেলায় তাদের বাড়িতে নিয়ে রাখত। এ সুযোগে খোরশেদ আমার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি তার শাস্তি দাবি করছি।’
ভুক্তভোগীর ফুপু অভিযোগ করে বলেন, ‘খোরশেদ আলম এলাকার চিহ্নিত একজন চরিত্রহীন লম্পট প্রকৃতির লোক। এলাকার প্রতিবন্ধী নারী-শিশু তার যৌন লালসার শিকার হয়েছে। সে তার নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত ভাতিজীকে জোড় করে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। আমি তার শাস্তি দাবি করি।’
এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী ও তার বাবাকে থানায় এনে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভুক্তভোগী জানায়, অভিযুক্ত খোরশেদ আলম ঘুমন্ত অবস্থায় জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।














