সারাদেশ

সিলেট-চট্টগ্রামে ১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে পানি, বন্যার শঙ্কা

  প্রতিনিধি ৯ জুলাই ২০২৬ , ১২:৩৪:০৬ প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ১০টি পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আরও ৪টি পয়েন্ট সতর্ক সীমায় অবস্থান করছে। ফলে দুই বিভাগের ৭টি জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে বিষয়টি জানা গেছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং উজানের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ সিলেট বিভাগের ৪টি প্রধান নদীর ৬টি স্টেশন এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ) পয়েন্ট, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার সদর পয়েন্ট, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ পয়েন্ট এবং খোয়াই নদীর বল্লা ও হবিগঞ্জ সদর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এ ছাড়া এই বিভাগের কুশিয়ারা নদীর শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর স্টেশন বর্তমানে সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হচ্ছে, যা যে কোনো সময় আরও বাড়তে পারে।

এদিকে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল তথা চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৪টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান সদর ও দোহাজারী (চট্টগ্রাম) পয়েন্ট এবং মাতামুহুরী নদীর লামা (বান্দরবান) ও চিরিঙ্গা (কক্সবাজার) পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলার হালদা নদীর পানি পাঁচপুকুরিয়া পয়েন্টে সতর্ক সীমায় অবস্থান করছে।

এতে প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো।

আরও খবর

Sponsered content