জাতীয়

হজের প্রথমদিনে হাজীদের খোঁজ নিলেন ধর্মমন্ত্রী

  প্রতিনিধি ২৫ মে ২০২৬ , ৭:৩৮:৩০ প্রিন্ট সংস্করণ

পবিত্র হজের প্রথম দিনে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সৌদির ঐতিহাসিক তাঁবুর শহর মিনা প্রান্তর। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। তাঁবুতে চলছে হজের মাসআলা-মাসায়েলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আলোচনা। বিভিন্ন তাঁবুতে গিয়ে বাংলাদেশী হজযাত্রীদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

রোববার রাত ১০ টার পর থেকেই মিনার উদ্দেশে রওয়ানা করেন হাজীরা। শরিয়তের বিধানমতে হাজীরা আজ মিনায় অবস্থান করে ফজর হতে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে মঙ্গলবার আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তাঁরা। সেখানে খুতবার পর হাজিরা একসাথে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করবেন হাজীরা। শরিয়তে আরাফাতে অবস্থান করাকেই হজ বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন হাজীরা। তারা সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন (বুধবার) সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজীরা এবং শুধু বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দিবেন এবং মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোটো করবেন হাজীরা।

জিলহজ মাসের ১১ ও ১২ তারিখে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মিনা ত্যাগ করবেন হাজীরা। ধর্মমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে মিনায় বাংলাদেশী হাজীদের জন্য হাদিয়াস্বরূপ পাঁচ হাজার প্যাকেট উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

চলতি বছর অনুমতিপত্র ছাড়া কেউ যেন হজ পালন না করতে পারে সে বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর সৌদি সরকার। মিনায় আসার পথে বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে তল্লাশি করা হয়েছে। প্রত্যেক হজযাত্রীর সাথে ‘নুসুক’ কার্ড দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া, তীব্র গরমের কারণে সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাঁবুর ভেতরে অবস্থান করার জন্য হাজীদেরকে অনুরোধ করেছে সৌদি প্রশাসন। সরাসরি সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা, রোদে ছাতা ব্যবহার করা এবং বেশি বেশি পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে এই সৌদি মন্ত্রণালয়।

আরও খবর

Sponsered content