আইন-আদালত

সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড

  প্রতিনিধি ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ৪:৩২:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আব্দুস সালাম এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আদালত আসামির ৫ বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে আসামির অবৈধভাবে উপার্জিত এক কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের তথ্য দিয়েছেন আদালত। রায়ের এ তথ্য প্রসিকিউটর শামীম হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

আসামি জামিনে থেকে এদিন রায় ঘোষণার আগে আসামি আদালতে উপস্থিত হন। রায় শেষে জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এক কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৩ মে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটি সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআরের কর অঞ্চল ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে অবসরে আছেন। তিনি দুদকে ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নিজ নামে ও নির্ভরশীলদের নামে যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা ও আয়ের উৎসসহ বিস্তারিত বিবরণী জমা দেন। জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন।

এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়। যার মধ্যে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। বাকি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার আয়ের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এ কারণে ওই সম্পদকে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রতীয়মান করে দুদক।

মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৭ এপ্রিল শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগগঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

 

আরও খবর

Sponsered content