জাতীয়

অর্থের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

  প্রতিনিধি ১৫ আগস্ট ২০২৬ , ১২:১৭:১১ প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান সরকার এমন একটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কেউ অর্থের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, ‘সরকার এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো নাগরিককে দেশের বাইরে যেতে হবে না, কিংবা কেউ অর্থাভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে হবে না।’

আজ শনিবার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যার নতুন একটি ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে চালু করতে সক্ষম হবে সরকার। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ বেশি বরাদ্দ দিয়ে বর্তমান সরকার প্রমাণ করেছে, সরকার সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়তে চায়। এটি সেফ একটি স্লোগান নয়, বরং সরকার দেশে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যাতে করে মানুষ দেশের ভেতরেই সব রকমের স্বাস্থ্যসেবা পায়।’

‘তবে স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে সরকার যতই উদ্যোগ গ্রহণ করুক, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক সর্বোপরি স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার ওপরই স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা সেবার সাফল্য নির্ভর করছে’, যোগ করেন সরকারপ্রধান।

এর আগে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নবনির্মিত ভবনটি উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। তিনি অপারেশন থিয়েটার ও ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) ঘুরে দেখেন এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

দেশে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসাসেবা আরও বিস্তৃত করতে নতুন এই ৫০০ শয্যা যুক্ত হওয়ার ফলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ হাজারে। দক্ষিণ এশিয়ার আর কোনো দেশে এত বড় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল নেই বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও খবর

Sponsered content