স্বাস্থ্য

হৃদরোগ সচেতনতায় পেশেন্ট ফোরাম আয়োজন করেছে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

  প্রতিনিধি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭:৪১:২৭ প্রিন্ট সংস্করণ

হৃদরোগের ঝুঁকি ও প্রাথমিক লক্ষণগুলো সময়মতো শনাক্ত করতে পারলে গুরুতর পরিণতি এড়ানো সম্ভব—এ বার্তাকে সামনে রেখে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও বিশেষ পেশেন্ট ফোরামের আয়োজন করেছে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা।

এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডোন্ট মিস এ বিট’ বা ‘কোনো হৃদস্পন্দনকে উপেক্ষা নয়’। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনামূল্যে ইসিজি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানে এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট, কর্মকর্তা ও সেবাপ্রাপ্ত রোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

পেশেন্ট ফোরামে বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টরা জানান, হৃদরোগ সবসময় স্পষ্ট লক্ষণ নিয়ে আসে না। তবে বুকে ব্যথা বা চাপ, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, কিংবা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান এবং পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি।

আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় মা ও শিশুর হৃদস্বাস্থ্য। চিকিৎসকেরা জানান, পরিকল্পিত গর্ভধারণের ৩ মাস আগে এমএমআর (MMR) টিকা গ্রহণ, মায়ের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর ওষুধ পরিহারের মাধ্যমে জন্মগত হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। গর্ভাবস্থায় ‘ফিটাল ইকোকার্ডিওগ্রাফি’র মাধ্যমে দ্রুত রোগ শনাক্ত করার ওপর জোর দেন তাঁরা। শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মের পর দ্রুত শ্বাস নেওয়া, ওজন না বাড়া, ত্বক বা ঠোঁট নীলচে হওয়া কিংবা বারবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়াকে জন্মগত হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসকেরা আশ্বস্ত করে বলেন, বিশ্বমানের কার্ডিয়াক চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই; দেশেই এখন সর্বাধুনিক ও সমন্বিত হৃদরোগ চিকিৎসার পূর্ণাঙ্গ সুবিধা রয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content