প্রতিনিধি ২৬ জুলাই ২০২৬ , ১০:২৯:১৬ প্রিন্ট সংস্করণ
আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ে যৌথ অগ্রযাত্রার লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়ার খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং (UNP)-এর ফ্যাকাল্টি অব ম্যাথেমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্সেস (FMIPA) এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (ASAUB)-এর মধ্যে এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. রেজাউল করিম এবং ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং-এর ডিন প্রফেসর ড. ইউলকিফলি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, উদ্ভাবনী গবেষণা, কমিউনিটি সার্ভিস, মানসম্পন্ন মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং একাডেমিক ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করবে। চুক্তি অনুযায়ী যৌথ গবেষণা ও প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সেমিনার ও কনফারেন্স আয়োজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, পাবলিক লেকচার, ইন্টার্নশিপ এবং সমন্বিত ফিল্ড স্টাডির মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা জোরদার করা এবং দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র্যাংকিং উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাদাং-এর পক্ষ থেকে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থীকে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি পর্যায়ে সম্পূর্ণ বৃত্তি (Full Scholarship) প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। যা আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অতিরিক্ত পরিচালক ড. মহিবুল আহসান এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিষয়ক পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুসার।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হেলালউজ্জামান, আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবু দাউদ হাসান, আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন সাইফুল আলম, রেজিস্ট্রার মো. জাফর সিদ্দিক, জনস্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. জেসমিন আখতার, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালীউল বারী, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মোছা. জিনাত তারাসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানায়, এই আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় এক নতুন নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে, যা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।





















