প্রতিনিধি ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৯:৩৭:৫০ প্রিন্ট সংস্করণ
ডাকসু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বর্ধিত অংশ নয়, এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর এজিএস মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান।
গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমনটা জানান মহিউদ্দিন খান। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো:
ঢাবি প্রশাসন একটা আলাপ হঠাৎ করেই হাজির করা শুরু করেছে যে ডাকসু প্যারালাল প্রশাসন হয়ে উঠতে চাইছে কি না! এই স্লো পেসড প্রশাসন ডাকসুর মত ডায়নামিক একটা প্রতিষ্ঠানকে তার মতো বনসাইয়ে পরিণত করতে চায়।
সবশেষ শিক্ষণ মূল্যায়ন নিয়ে প্রশাসন এ মন্তব্য আবারো করেছে। প্রশাসন যদি মনে করে ডাকসু প্রশাসনের এক্সটেনশন হিসাবে কাজ করবে, যেভাবে তার লাঠিয়াল বাহিনীকে ব্যবহার করে সেভাবে ডাকসুকে ব্যবহার করবে তাহলে সেটা ভুল ভেবেছে। ডাকসু প্রশাসনকে ‘জি হুজুর’ বলার জন্য গঠিত কোন প্লাটফর্ম নয়, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্লাটফর্ম। যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অধিকার বুঝিয়ে দিতে কার্পন্য করে তার সাথে ডাকসুর বিরোধ অনিবার্য।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার সিন্ডিকেট আছে, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবার। শিক্ষার্থীরা এই প্রত্যেক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। ডাকসু এই সিন্ডিকেটকে চ্যালেঞ্জ করে বলেই ডাকসুর বাজেট থাকেনা, পরবর্তী ডাকসু কবে হবে সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত থাকেনা।
ঢাবি প্রশাসনের উচিৎ ইনসিক্যুরিটি থেকে বের হয়ে আসা। ‘প্যারালাল প্রশাসন’ টাইপ আলাপ আপনাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রমাণ। ‘বাবা তোমরা তো বোঝো আমাদের প্রসেস মেনে যেতে হয়, সব করা যায় না’ টাইপ অসহায়ত্ব দেখায়ে আবার পজিটিভ ডেভলপমেন্টকে চ্যালেঞ্জ করা কেবল ইনসিকিউরড প্রশাসনের পক্ষেই সম্ভব।















