প্রতিনিধি ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২:১২:৩৩ প্রিন্ট সংস্করণ
তার রাজ্যে নেই কোনো সিংহাসন, নেই মুকুটের অহংকার। তিনি ভালোবাসার অদৃশ্য সাম্রাজ্যে একজন রাজকুমার। সমাজের প্রান্তে বেড়ে ওঠা পথশিশুদের জীবন, স্বপ্ন ও মানবিক অনুভূতিকে উপজীব্য করে-ব্যতিক্রমী গল্প নিয়ে প্রকাশ পেয়েছে কণ্ঠশিল্পী কাজল ব্যানার্জীর নতুন গান রাজকুমার।
গানটি প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। গানটির কথা, সুর ও কণ্ঠ কাজল ব্যানার্জীর। সংগীতায়োজন করেছেন রোজেন রহমান। আর গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন শুভব্রত সরকার। ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন একাধিক পথশিশু। ফলে গান ও ভিডিও মিলিয়ে রাজকুমার হয়ে উঠেছে সমাজের অবহেলিত শিশুদের স্বপ্ন ও ভালোবাসার মানবিক গল্প।
শৈশব থেকেই গানের প্রতি গভীর অনুরাগ কাজল ব্যানার্জীর। তবে, স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গানকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে গেছেন কাজল ব্যানার্জী। রাজকুমার গানটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে।
গানটি প্রসঙ্গে কাজল ব্যানার্জী বলেন, ‘গানটি নিয়ে ডিএমএস আমাকে যে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তাতে আমি নতুন করে স্বপ্ন দেখতে, স্বপ্ন লিখতে এবং স্বপ্ন ছুঁতে সাহস পেয়েছি। আমি বিনয়ের সঙ্গে স্মরণ করতে চাই আমার সব ওস্তাদকে, যাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি।’
গানটি প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা পাচ্ছেন বলে জানান কাজল ব্যানার্জী।
নিজের সংগীতজীবনে যাদের অবদান রয়েছে, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কাজল। বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন মির্জা খায়রুল হোসেন মনু, প্রয়াত রুমু ভাই, সুইট ভাই, মিতা বিশ্বাস ও নন্দ দাকে। মির্জা খায়রুল হোসেন মনুকে নিজের জীবনের অন্যতম আলোকবর্তিকা উল্লেখ করেন কাজল ব্যানার্জী। তিনি বলেন, তিনিই তাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন।















