প্রতিনিধি ৭ নভেম্বর ২০২৬ , ৩:০৪:০৯ প্রিন্ট সংস্করণ
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দলটির দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জি. সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষর সম্বলিত এক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
আজ শনিবার প্রকাশিত এ বিবৃতিতে বলা হয়, আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। ১৯৭৫ সালের এই দিনে এ দেশের সাধারণ মানুষ ও দেশপ্রেমিক সিপাহীরা এক হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সিপাহী-জনতার সেই ঐতিহাসিক ঐক্যের ফলেই তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চরম অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পেয়েছিল। সেই সংকটময় মুহূর্তে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) দ্রুত সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন এবং পরবর্তীতে এদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার শক্ত ভিত গড়ে তুলে ছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঐতিহাসিক এই দিনে গণঅধিকার পরিষদ ( জিওপি) বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-কে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে। পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা রক্ষায় যারা জীবন বাজি রেখেছিলেন সেই বীর সিপাহী ও সাধারণ জনগণের অবদানও পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে।
বিবৃতির শেষে উল্লেখ করা হয়, গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ মনে করেন, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা একই সূত্রে গাঁথা। কালজয়ী এসকল সংগ্রামের মূল আকাঙ্খাই ছিল- স্বাধীন, সার্বভৌম, বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা।
তাই, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানায় গণঅধিকার পরিষদ( জিওপি)।





















