প্রতিনিধি ৮ নভেম্বর ২০২৬ , ২:৪৯:০৮ প্রিন্ট সংস্করণ
সিলেট টেস্টে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাভেম হজ এগিয়ে যাচ্ছেন টেস্ট সেঞ্চুরির দিকে। আরেক প্রান্তে কেভিন উইকহ্যামও তুলে নিয়েছেন ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতক। চতুর্থ দিনের চা-বিরতিতে কোনো উইকেট না হারিয়ে তাদের লিড বেড়ে হয়েছে ২২৯ রান।
টেস্ট অভিষেকেই দুই ইনিংসে অর্ধশতক করে ৪৮ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন উইকহ্যাম। তবে জুটিতে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন হজ। তৃতীয় উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি এরই মধ্যে ১৪০ রান ছুঁয়েছে।
তাইজুল ইসলামের বলে সোজা ব্যাটে ছক্কা মেরে সেশন শুরু করেন উইকহ্যাম। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে দুটি চার মারেন তিনি। হাসান মাহমুদকে পুল করে চার আদায় করেন হজ। পরে তাইজুল ও নাঈম হাসানের বলে আরও চারটি বাউন্ডারি মারেন উইকহ্যাম।
পেসারদের বলে আরও দুটি চার মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় ২০০ রান পূর্ণ করেন হজ। এ সময় প্রায় প্রতি ওভারেই অন্তত একটি করে বাউন্ডারি আদায় করছিলেন তারা। তাসকিন আহমেদের বলে কাভার ড্রাইভে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ১ হাজার রান পূর্ণ করেন হজ।
দিনের শুরুতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাট করে প্রথম উইকেটে ৮৫ রান যোগ করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও জশুয়া ডি সিলভা। হাসান মাহমুদ, তাসকিন ও নাঈমের একাধিক ওভারে তারা দুটি করে বাউন্ডারিও আদায় করেন।
তাইজুল ডি সিলভাকে ৩৬ রানে এলবিডব্লিউ করে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন। টেস্ট ক্রিকেটে বাঁহাতি এই স্পিনারের এটি ছিল ডি সিলভার ষষ্ঠ শিকার। এর কিছুক্ষণ পর ৫৬ রানে থাকা কিংয়ের ক্যাচ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয়। তবে শেষ পর্যন্ত ৬১ রানে কিংকে ফিরিয়ে দেন মিরাজ। স্লিপে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্যাচ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
৮৪ বলের ইনিংসে একটি ছক্কাসহ মোট ১১টি বাউন্ডারি মারেন কিং। অন্যদিকে, মধ্যাহ্নবিরতির আগেই তাইজুলকে সোজা ব্যাটে ছক্কা মারাসহ পাঁচটি বাউন্ডারি আদায় করেছিলেন হজ।















