জাতীয়

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন প্রশ্নে যা বললেন মির্জা ফখরুল

  প্রতিনিধি ২৫ জুলাই ২০২৬ , ৬:৩২:৩৮ প্রিন্ট সংস্করণ

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলের নীতি-নির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে নির্ধারণ হবে। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ) প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী ৩৬তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক তর্কের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আমাদের কাজের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বাজেটের বড় একটি অংশ অপচয় হলেও গবেষণার মতো মৌলিক জায়গায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ মেলে না।’

কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘পল্লী উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট আর বাড়িঘর তৈরি করা নয়, গ্রামীণ কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা আনা। সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে আমাদের কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না। এ সমস্যা সমাধানে গবেষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মো. শওকত রশীদ চৌধুরী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরডিএর পরিচালক আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের এমপি ও বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম রশিদ, কৃষি সচিব রফিকুল মোহাম্মদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধিরা।

উদ্বোধনী অধিবেশনে পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন এবং টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি গড়ে তোলার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরডিএর ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানান, দুই দিনব্যাপী এ পরিকল্পনা সম্মেলনে বিভিন্ন কারিগরি অধিবেশন, পরিকল্পনা পর্যালোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে।

আরও খবর

Sponsered content