সারাদেশ

লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সাংবাদিক আবুল কাশেম রুমন

  সিলেট প্রতিনিধি: ১১ জুলাই ২০২৬ , ৬:৫৬:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় এসেছেন সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার সম্পাদক ও বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম রুমন। তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া রয়েছে বলে দাবি করেছেন তার সমর্থকরা।

আবুল কাশেম রুমন উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজি বাড়ির বাসিন্দা এবং মরহুম আব্দুস ছত্তার (মাস্টার)-এর বড় ছেলে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে শিক্ষকতা করে আসছেন।

জানা গেছে, তিনি বিএম সিলেট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র ও বেকার যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছেন। এছাড়া সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন।

তার সমর্থকদের দাবি, নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা, নাগরিক সেবা সহজীকরণ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, অবকাঠামোর উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেবেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে আবুল কাশেম রুমন বলেন, “ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করতে চাই। আমার লক্ষ্য লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও মডেল ইউনিয়নে পরিণত করা।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদে দ্রুত ও স্বচ্ছ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করা হবে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, নারীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ এবং যুবসমাজের জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করা হবে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার মতে, আবুল কাশেম রুমন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করবে।

এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা ধীরে ধীরে জোরদার হচ্ছে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, ততই স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

আরও খবর

Sponsered content