আইন-আদালত

স্ত্রীসহ সাবেক এমপি দিদারুল ও অতিরিক্ত ডিআইজি রফিকুলের আয়কর নথি জব্দ

  প্রতিনিধি ২ মার্চ ২০২৬ , ২:২২:০৭ প্রিন্ট সংস্করণ

‎চট্টগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দিদারুল আলম এবং তার স্ত্রী মোসা. ইসমাত আরা বেগমের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এপিবিএনের খাগড়াছড়ি বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলামেরও আয়কর নথি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতির মামলায় আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশালজজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দিয়েছেন।

দিদারুল আলম দম্পতির ও রফিকুল ইসলামের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন কমিশনের উপসহকারি পরিচালক রোকনুজ্জামান।

‎‎দিদারুল আলমের আবেদনে বলা হয়, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৭ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রাখা এবং ২০টি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে সর্বমোট

‎৯৪৮ কোটি ৮৮ লাখ ৮৩ হাজান ৮৩৮ টাকা হস্তান্তর ও স্থানান্তরপূর্বক আয়ের উৎস আড়াল করার অপরাধের দুদক চট্টগ্রামে মামলা দায়ের করে। দিদারুল আলম একজন আয়কর দাতা; তার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির শুরু হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ, বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা প্রয়োজন।

‎‎ইসমাত আরার আবেদনে বলা হয়, তার ‎বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৪৫০ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রাখায় দুদক গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করে। ইসমাত আরা একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির শুরু হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ, বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা প্রয়োজন।

‎‎‎রফিকুল ইসলামের আবেদনে বলা হয়, তিনি একজন পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ দ্বারা ২ কোটি ৯ লাখ ২৭ হাজার ৯৩১ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অসাধু উপায়ে অর্জন করে এবং তা দখলে রেখে এবং তার ব্যাংক হিসাবে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত মোট ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ টাকা জমা ও মোট ২ কোটি ৮২ লাখ ১৪ হাজান ২৭৮ টাকা উত্তোলন করে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে অপরাধ করায় সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ গত বছরের ৪ জুন মামলা দায়ের করা হয়।

শেখ রফিকুল ইসলাম একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির শুরু হতে হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ, বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা প্রয়োজন।

আরও খবর

Sponsered content