প্রতিনিধি ৮ নভেম্বর ২০২৬ , ১২:১৪:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পুনর্বহালের দাবি ও সদর উপজেলাকে বিভক্তকরণের ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে করা সড়ক ও রেলপথ অবরোধ ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনকারীরা। এতে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
আজ রোববার সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় রেলপথ এবং আখাউড়া স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয়রা। এতে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ বেশ কিছু ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা আখাউড়া-আগরতলা সড়কপথ অবরোধ করে রাখায় ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহীসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম- কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল ভেঙে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়। বাসুদেব ইউনিয়নবাসী শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে এলেও কোনো সুরাহা হয়নি। বরং সম্প্রতি সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন- বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ভেঙে আখাউড়া উপজেলায় যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নের সঙ্গে একীভূত করে ‘বরিশল’ নামে নতুন একটি উপজেলা গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
জানা গেছে, জেলা বিএনপির এক নেতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে স্থানীয় জনতা।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীদের কয়েকজনকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত মাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রেলপথ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়া ট্রেনগুলো গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।





















