জাতীয়

বিদেশ ভ্রমণে বছরে ১৮ হাজার ডলার ব্যবহারের সুযোগ

  প্রতিনিধি ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২:৪৯:১৪ প্রিন্ট সংস্করণ

বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে এখন বৈদেশিক মুদ্রার জন্য আগের চেয়ে বেশি সুযোগ পাবেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। বিদেশ ভ্রমণে একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকের বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সীমা ১২ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ ভ্রমণ কোটা বেড়েছে ৬ হাজার ডলার বা ৫০ শতাংশ।

বিদ্যমান ভ্রমণ-সুবিধা সংশোধন করে আজ রোববার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রকৃত ভ্রমণসংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণ এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের পরিবর্তিত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

সার্কুলার অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার বা এডি ব্যাংকগুলো বাংলাদেশে বসবাসরত কোনো প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিককে একটি পঞ্জিকাবর্ষে বিদেশ ভ্রমণের জন্য সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করতে পারবে। এতদিন এই সীমা ছিল সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রকৃত ভ্রমণসংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণে সুবিধা দিতেই এই সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটন, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা এবং অন্যান্য অনুমোদিত বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণে আরও বেশি নমনীয়তা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে ভ্রমণ কোটার পুরো অর্থ নগদ ডলার হিসেবে নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। তবে, বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রযোজ্য বার্ষিক ভ্রমণ কোটার মধ্যে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার মার্কিন ডলারের নোট আকারে নিতে পারবেন। নগদ ডলার নোট ছাড়ের এই সীমায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

অন্যদিকে, ১২ বছরের কম বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিদ্যমান সুবিধাও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অনুমোদিত ভ্রমণ কোটার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ বহাল থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য শিথিলতা এল। এতদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার ভ্রমণ কোটার আওতায় ব্যবহার করতে পারতেন। এখন সেই সীমা বেড়ে দাঁড়াল ১৮ হাজার ডলারে। ফলে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের খরচ ও প্রয়োজনের পরিবর্তিত বাস্তবতায় বিদেশে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণে আগের তুলনায় বড় পরিসরের সুযোগ তৈরি হলো।

আরও খবর

Sponsered content