প্রতিনিধি ২১ আগস্ট ২০২৬ , ৬:২৪:৫২ প্রিন্ট সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্ট-টাইম জব ও ক্যারিয়ার সেন্টার চালুর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমীন। আজ শুক্রবার সাভারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র এ কথা বলেন।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও পার্ট-টাইম জব সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি কি না, তা নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সহজতর করতে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যকর ‘ক্যারিয়ার সেন্টার’ গড়ে তোলার তাগিদ দেন, যেখানে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি এবং পেশাগত দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।
মাহ্দী আমিন বলেন, একই সাথে ক্যাম্পাসে নিয়মিত চাকরি মেলার আয়োজন করা যেতে পারে। অনেক প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে বিনামূল্যে চাকরির মেলা করতে প্রস্তুত। সেখানে বাড়তি কোনো খরচের প্রয়োজন নেই; কেবল সুযোগ ও সংযোগ তৈরি করে দিলেই নিয়োগকর্তা ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটবে। জীবনবৃত্তান্ত তৈরি থেকে শুরু করে ইন্টারভিউ প্রস্তুতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া, এটিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক দায়িত্বের একটি অংশ।
‘ভাইস চ্যান্সেলরস ডায়ালগ: শেপিং দ্য ফিউচার অফ হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক এই সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ জন উপাচার্যসহ নীতিনির্ধারক, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ এবং ইউজিসি ও হিট প্রকল্পের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, আধুনিকায়ন এবং তরুণ জনগোষ্ঠীকে বাস্তবমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে চলতি বছরের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমীন বলেন, এই বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য হলো সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং তরুণদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।
শিক্ষার আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতকরণ ও ব্রেইন ড্রেন
বন্ধে বিশেষ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, সরকার ব্রেইন ড্রেন রোধ করে একে ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’-এ রূপান্তর করতে চায়। বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক, শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অতিথি শিক্ষক বা গবেষণাবৃত্তির মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সাথে নীতিগত আলোচনা হয়েছে, যাতে তাঁরা বছরে কয়েক মাসের জন্য দেশে এসে সরাসরি পাঠদান ও গবেষণায় অবদান রাখতে পারেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ল্যাব, জার্নাল ও গবেষণা সহায়তার মতো প্রাতিষ্ঠানিক ঘাটতি দূর করে আন্তর্জাতিক মানের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর অর্জনে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব জোরদার করা হবে। পাশাপাশি উন্নত বিশ্বের আদলে ‘সামার স্কুল’ চালু, দূরশিক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং দেশ-বিদেশের মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজ ক্রেডিট ট্রান্সফার পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতির জন্য কাজ করছে। সংখ্যার চেয়ে শিক্ষার গুণগত মানের ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়ে তিনি আশ্বাস দেন যে, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও পূর্ণ ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।’
শিক্ষার মূল লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের দুটি মৌলিক অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, প্রথমত শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভেতরে সুনাগরিকের গুণাবলী, মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতা বিকশিত করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী যাতে স্নাতক সম্পন্ন করার পর সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রদেয় নাগরিকত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ওঠেন, তা শিক্ষাব্যবস্থার মূল কাঠামোর ভেতরেই যুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষ এবং কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তোলা। কর্মক্ষমতার প্রধান মাপকাঠিই হলো দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি। সরকারি কিংবা বেসরকারি খাত—সর্বত্র যাতে শিক্ষার্থীরা সমান যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারেন এবং স্ব-উদ্যোগে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন, সেভাবেই শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন করা হবে। কেবল প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অর্জন নয়, বরং নৈতিক মূল্যবোধ এবং বাস্তব দক্ষতার সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে সাজানোই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
একটি নিরপেক্ষ, সমতাভিত্তিক ও ন্যায়পরায়ণ সমাজ গড়ে তোলার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী বৈষম্যহীন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন মাহ্দী আমীন। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার মূলত তিনটি মৌলিক ভিত্তির ওপর জোর দিচ্ছে—নিরপেক্ষতা, সমতা ও ন্যায়বিচার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অংশ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে।
শিক্ষা প্রসারে বিশেষ জোর দিয়ে মাহ্দী আমীন বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে নারীদের জন্য স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। এই কল্যাণমুখী প্রক্রিয়ার সূচনা করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যা পরবর্তীতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছিল। এখন স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করায় সরকারি কাঠামোর পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও মেধার ভিত্তিতে ছাত্রীদের জন্য উপবৃত্তির সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
পাশাপাশি জাতীয় পাঠ্যক্রমে যুগোপযোগী পরিবর্তনের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা। বর্তমান পাঠ্যক্রম সমকালীন বাস্তবতার সাথে তাল মিলিয়ে নিয়মিত আধুনিকায়ন না হওয়ায় তা কিছুটা সেকেলে থেকে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাই শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে পাঠ্যক্রমকে আরও বেশি জীবনমুখী ও বাস্তবসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়পর্যায়ে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আত্মকর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে সংক্ষিপ্ত মেয়াদী ‘মাইক্রো-কোর্স’ এবং পর্যায়ক্রমে ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র’ চালুর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি ও দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এই নতুন সংযোজনগুলো অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা অর্জনে সংক্ষিপ্ত কোর্সের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে ডিজিটাল সাক্ষরতা, ফ্রিল্যান্সিং কিংবা কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো তিন মাসের ঐচ্ছিক ও ব্যবহারিক কোর্স করতে পারেন, সে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে পড়াশোনা চলাকালীনই তাদের জন্য আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাঠ্যক্রমকে কোনো স্থবির বিষয় না উল্লেখ করে তিনি জানান, সময়ের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত সংযোজন, বিয়োজন ও পরিমার্জনের মাধ্যমেই শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী রাখা হবে।একই সাথে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার সুযোগ প্রসারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সামর্থ্য সমান নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষস্থানীয় ও নেতৃত্ব পর্যায়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগে পর্যায়ক্রমে এই ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নিতে পারে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে দেশ ও বিদেশে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে সক্ষম হবেন।
আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিতে পর্যায়ক্রমে অন্তত দুই থেকে তিনটি বিদেশি ভাষা শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন মাহ্দী আমীন। একই সঙ্গে বিদেশে উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিপিও খাতে তরুণদের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভাষাগত দক্ষতার বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় তুলে ধরে তার এই উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিবিড় সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সারা বছর জুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তঃ ও অন্তঃপ্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতা আয়োজনের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও রাজধানীর সেরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে একই মঞ্চে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে।
উপস্থিত উপাচার্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যে সচিব মহোদয় এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বছরব্যাপী বিতর্ক, বিজ্ঞান ক্লাব, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিএনসিসি, স্কাউটস ও গার্ল গাইডের মতো সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমগুলো পুরোদমে চালু রাখতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের অমিত শক্তি ও আকাঙ্খার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনসংখ্যাতাত্ত্বিক লভ্যাংশ। এই বিশাল তরুণ সমাজকে যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
দেশের তরুণ সমাজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা প্রত্যক্ষভাবে সরকারের ভবিষ্যৎ ও রাষ্ট্রীয় অগ্রগতির সাথে যুক্ত বলে মন্তব্য করেন মাহ্দী আমিন। সামনের দিনগুলোতে তরুণদের দক্ষ, কর্মক্ষম ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপরই গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের গতিপথ নির্ভর করবে উল্লেখ করে তিনি জানান, তরুণদের ভাগ্যোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ই হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রমুখ।





















