প্রতিনিধি ২১ আগস্ট ২০২৬ , ৯:১১:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির প্রিজন ভ্যানের পেছনে দৌড়ানো তরুণ আল রাফি প্রত্যয়ের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দিয়েছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কে এম মফিজুর রহমান প্রত্যয়কে গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় এবং সন্দিগ্ধ আসামি আল রাফি প্রত্যয়ের এই মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়াও এ আসামি গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান থানাধীন আজাদ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির প্রয়াত স্বামীর জানাজাকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করে।
এসময় আসামি তার অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়াকালে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে এই মামলার ঘটনায় জড়িত থাকা ছাড়াও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়। এমতাবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানের আজাদ মসজিদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বামীর মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া আওয়ামী লীগ নেত্রী দীপু মনিও ওই সময় মসজিদ প্রাঙ্গণে ছিলেন। প্রত্যয়কে দীপু মনির প্রিজন ভ্যানের পেছনে দৌড়াতে দেখা যায়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গেল ৭ অগাস্ট রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলশানের পুলিশ প্লাজার ৫ম তলার একটি রেস্তোরাঁয় একত্রিত হয়ে নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করাসহ গুলশান থানা ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়ে নাশকতা এবং ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গোপন পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের সভা করছিল। সেখান থেকে মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী (৫৫), এস. এম. রেজওয়ান হাবিব আলিফ (৩৩), মো. নান্নু মিয়া (৩৮), মো. আমিনুর রহমান (৪২), সজল আহমেদ (২৯) ও মো. ইব্রাহিম হোসেন (৩৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো রাফি প্রত্যয়কে।





















