জাতীয়

সচেতনতা ও প্রতিরোধেই কমবে জলাতঙ্কে মৃত্যু: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

  প্রতিনিধি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১:১৩:২০ প্রিন্ট সংস্করণ

রোগ হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণের চেয়ে প্রতিরোধই বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আগেভাগে সচেতনতা তৈরি এবং যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এর জন্য টিকাদান কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্ত হওয়ার পর দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

আজ সোমবার বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহরাঞ্চলে জলাতঙ্ক সম্পর্কে সচেতনতা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও প্রান্তিক পর্যায়ে তা এখনও কম। ফলে গ্রামীণ এলাকাতেই মৃত্যুর ঘটনা বেশি দেখা যায়। তাই শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়েও জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং আগের মতো দেশব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সরাসরি জড়িত। জনগণ এখন খাদ্যনিরাপত্তার পাশাপাশি খাদ্যের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত প্রাণীটি রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও সচেতন হচ্ছে। তাই প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতের সম্ভাবনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে রোগ নিয়ন্ত্রণ, প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কৃষক ও খামারিদের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

মাঠপর্যায়ের কাজের মান বাড়ানোর ওপর তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধিতে গ্রামে গ্রামে সেমিনার, ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের কাজ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের তদারকি জোরদার করা গেলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল আমিন।

আরও খবর

Sponsered content