জাতীয়

তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু ফেসিয়াল রিকগনিশন ও গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তি

  প্রতিনিধি ১১ আগস্ট ২০২৬ , ২:৫৯:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ

গুরুতর অপরাধের পর দেশ ছাড়ার চেষ্টা, ভুয়া পরিচয়ে বিমানবন্দর ব্যবহার কিংবা বিদেশে অপরাধ করে দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সন্দেহভাজনদের শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু করা হয়েছে এআইভিত্তিক ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা।

নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি থাকলে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে বিমানবন্দরে তাঁর পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব। বিমানবন্দরের অ্যারাইভাল ও ডিপার্চার টার্মিনাল, ইমিগ্রেশন কাউন্টার, বোর্ডিং ব্রিজ ও কার্গো এলাকায় স্থাপিত এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তির মুখের সঙ্গে সংরক্ষিত তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।

তথ্যের সঙ্গে মিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে। ফলে সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি দ্রুত নজরদারির আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হবে।

শুধু ব্যক্তি শনাক্তকরণ নয়, অস্বাভাবিক গতিবিধি, দীর্ঘক্ষণ সন্দেহজনক অবস্থান কিংবা পরিত্যক্ত কোনো বস্তু শনাক্ত করতেও এসব ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে চোরাচালান প্রতিরোধে বিমানবন্দরে ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তি। পোশাক বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রাখা সোনা ও অন্যান্য ধাতব বস্তু শনাক্তে এসব প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে প্রচলিত তল্লাশির পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল জানান, গত দুই থেকে আড়াই বছরে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ফলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি বিমানবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content