প্রতিনিধি ১২ আগস্ট ২০২৬ , ৪:৪৯:২২ প্রিন্ট সংস্করণ
কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করবে সরকার, যেখানে পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো বাস্তবায়ন: নীতি, অংশীদারিত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।
মাহ্দী আমিন বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়েই আমরা ‘‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’’ চালু করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে এই ‘‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’’ নিয়ে বেশ কয়েকটি ডায়ালগ ও কনসালটেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের একটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থাকলেও সেখানে প্রকৃতপক্ষে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সমন্বয় নিয়ে সরাসরি কাজ করার কাঠামো এতদিন ছিল না। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এই ‘‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’’-এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে প্রত্যক্ষ সংযোগ স্থাপন করা।’
‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সরাসরি জেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাব এবং সেখানকার স্থানীয় নিয়োগকর্তা ও চাকরিপ্রার্থী, যারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন এবং যারা কাজ খুঁজছেন উভয়পক্ষকে একটি মেলবন্ধনে আবদ্ধ করব। অফলাইন ও অনলাইন উভয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আমরা তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেব। এই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা সৃষ্টি, সক্ষমতা বৃদ্ধি (ক্যাপাসিটি বিল্ডিং) এবং একটি কার্যকর রেফারেল সিস্টেম গড়ে তোলা হবে, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেসরকারি খাতকে (প্রাইভেট সেক্টর) সরাসরি যুক্ত করা হবে। এই সময়োপযোগী উদ্যোগটি প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে শুরু হয়ে পরবর্তীতে সারা দেশের প্রতিটি জেলায় প্রসারিত হবে।’
পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুফল পাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, সমাজের কোনো নাগরিক যেন জাতীয় প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন প্রবাহ থেকে পিছিয়ে না পড়েন, সেটিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। সুবিধা বঞ্চিতদের জাতীয় অর্থনীতি ও সামাজিক সুরক্ষার মূলধারায় পূর্ণাঙ্গভাবে একীভূত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সার্বিক ভাগ্য পরিবর্তন ও টেকসই নাগরিক সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান মাহ্দী আমিন। দীর্ঘ সময় পর জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রশাসনিক জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতা আরও জোরালো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক অভিমত ও ভোটাধিকারের ভিত্তি করে এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। নির্বাচনী এই নিরঙ্কুশ বিজয়ে সর্বস্তরের জনগণের অসামান্য অবদান রয়েছে। ফলে প্রতিটি নাগরিকের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পারিবারিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, শুধু সাময়িক উন্নয়ন নয়, বরং এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে যেখানে প্রতিটি নাগরিকের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের পাশাপাশি তাঁদের নিজস্ব ভাগ্যোন্নয়ন ঘটে। দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই সরকার এই অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে।
বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, তৃণমূলের মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটাসহ সাতটিরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর ও ভ্যাট কমানো হয়েছে। এর ফলে বাজারে কোনো অসাধু সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে পারেনি।
তিনি আরও যোগ করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও সরকার কঠোর ব্যবস্থাপনায় দেশের বাজারে তেলের দাম সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, যেন নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারেন।
সম্প্রতি একটি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) কারিগরিভাবে বিকল হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ নিয়ে কিছুটা সাময়িক সংকট তৈরি হলেও তা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত কাঠামোর কারণে জ্বালানিখাত বর্তমানে এক বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বাস্তবিক অর্থেই দীর্ঘদিনের এই স্থবির সমস্যা মাত্র পাঁচ বা ছয় মাসে শতভাগ নিরসন করা সম্ভব নয়। তবে অত্যন্ত আশার কথা হলো প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অংশীদাররা যৌথভাবে কাজ করছেন, যাতে এই খাতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব দেশীয় প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মধ্যমেয়াদে জ্বালানি সংকটের একটি টেকসই ও বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত হবে।’
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, শিগগিরই স্বাস্থ্যখাতের আওতায় ১ লাখ নতুন পদ সৃষ্টি ও কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ৮০ হাজার পদেই অগ্রাধিকার পাবেন নারীরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, সরকারের প্রথম বাজেট ছিল অত্যন্ত ব্যাবসা ও বিনিয়োগবান্ধব। শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাই নয়, শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা ও সামাজিক মূল্যবোধ দিয়ে গড়ে তোলা হবে, যেন তারা সফল উদ্যোক্তা ও দক্ষ কর্মী হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, পর্যায়ক্রমে সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ চালু এবং অভিন্ন পোশাকের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের উন্নত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের পাঠদান ম্যানুয়াল যেন গ্রামের স্কুলেও পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল সাম্য আনা হচ্ছে। একইসঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও তাঁদের সম্মান বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় খাল খনন কর্মসূচির মতো সর্বজনীন উদ্যোগের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।
নির্বাচনের পর পরই বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে বলেন মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষের ভোট প্রদানের আঙুলের কালি মোছার আগেই সরকারের সিগনেচার প্রোগ্রাম ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে পরিবারের নারীদের স্বনির্ভরতা ও সামাজিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি চালু হতে যাওয়া ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে।
সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ টেনে মাহ্দী আমিন বলেন, দলীয় ও রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে নাগরিকের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য। সে পথেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত বকেয়া ঋণ ও সুদ মওকুফ করা হয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা তরুণ সমাজ এবং নারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের এই উন্নয়ন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।
প্রথম বাজেট পেশের পর থেকে দ্রব্যমূল্য কার্যকর নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের বকেয়া বেতন-বোনাস ও প্রাপ্য অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সফল হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশে তেলের দাম বাড়তে না দেওয়া এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ধরে রাখা সরকারের অন্যতম প্রধান সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পবিত্র রমজান মাস থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া অতীতে ঈদের আগে শ্রমিক অসন্তোষের যে ঘটনা ঘটত, তার বিপরীতে এবার ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় শ্রমিকবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করে শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের সহযোগিতায় শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
সরকারের উন্নয়ন ও সার্বিক প্রতিশ্রুতি কেবল নির্বাচনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা দল হিসেবে বিএনপির মূল রাজনৈতিক আদর্শে প্রোথিত বলে জানান মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর মূল দর্শনই হলো দেশের সব শ্রেণি ও বৈচিত্র্যের মানুষকে একসূত্রে গেঁথে সমান অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, পাহাড়ি কিংবা সমতলের বাসিন্দা, ধর্ম-বর্ণ-রাজনৈতিক আদর্শ কিংবা শারীরিক ও সামাজিকভাবে সক্ষম-অক্ষম নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষই বাংলাদেশের নাগরিক। ভিন্ন মতামত ও বৈচিত্র্যকে পূর্ণ শ্রদ্ধা ও ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বৈচিত্র্যের মাঝেই বাংলাদেশের আসল রূপ বিদ্যমান। তাই রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ও সরকারের নীতিমালায় দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সমান অধিকার, স্বাধীনতা এবং উন্নয়নের সমপরিমাণ অংশীদারিত্ব লাভ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
মাহ্দী আমিন বলেন, বিগত সরকারের ১৬ বছরের শাসনকালে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন ও মেরামতের জন্য কাজ করছে বর্তমান সরকার। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনকে ধারণ করে বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন ও সংস্কার করাই এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতির মূল ভিত্তিই হলো এই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন।
গণতন্ত্রকামী দলগুলো এবং ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে সাধারণ মানুষের ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, সব রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠিত করা। সর্বস্তরে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সেই গণআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার বদ্ধপরিকর।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, সংসদ সদস্য মাধবী মারমা প্রমুখ।















