স্কুলের এক কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, সরকারি করণের লক্ষ্যেই এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষকরা।
প্রথমত আজকের কাহিনীর একজন ভুক্তভোগী নাইটগার্ড মাসুদ এর ট্রান্সফারের বিষয়ে অবহতি চেয়ে কিছু শিক্ষক আজ সকাল সাতটায় ক্লাস বর্জনের জন্য বিয়ামে আন্দোলনের ডাক দেয়, এর বিপক্ষে সকাল থেকে স্টুডেন্ট ও গার্ডিয়ানরা অবস্থান নেয় ও স্টুডেন্টরা যখন শিক্ষকদের কাছে দাবি তুলে তারা বেতনের বিনিময়ে কেন ক্লাস করাবে না তখন শিক্ষকদের উত্তর ছিল তারা এই বিষয়ে স্টুডেন্টদের সাথে কথা বলবে না!
পরবর্তীতে যখন মাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে আসে এবং তাদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, তখন কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের সরকারীকরণের আন্দোলনের নাম বুঝ দিয়ে তাদের দ্বারা আন্দোলন করানো হয় এবং স্কুলকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।