প্রতিনিধি ২৪ জুন ২০২৬ , ১:১২:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ
আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্রপ্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
সংসদে পাস হওয়া সংশোধিত পরীক্ষা আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগের আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশ্নফাঁস বা নকলের মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নতুন আইনের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষকদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এলোমেলোভাবে উত্তরপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। কোনো পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করলে বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে ২০২৭ সালে কারিকুলাম পরিমার্জনসহ ২০২৮ সালে তা পরিবর্তন করা হবে।
এ ছাড়া ২০২২ সালের পর থেকে যেসব শিক্ষক অবসর ভাতা পাননি তাদের জন্য জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা চালুর কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান এবং সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।



















