জাতীয়

ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের দাবি আইএমএফের ঋণ স্থগিতের খবরটি ‘সম্পূর্ণ অসত্য’

  প্রতিনিধি ১৮ এপ্রিল ২০২৬ , ১২:১০:৫৮ প্রিন্ট সংস্করণ

‘সংস্কারে ব্যর্থতা’র কারণ দেখিয়ে ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আইএমএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করেছেন।

শুক্রবার সকালে প্রথম বৈঠকটি আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তার দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন বিকেলে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) নাইজেল ক্লার্ক ও তার টিমের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বলা হয়, সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে আইএমএফ ঋণের পরবর্তী কিস্তি স্থগিত করেছে বলে গণমাধ্যমে যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ অসত্য’। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এমনকি আগের দিন আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয়নি বলেও দাবি করা হয় বিবৃতিতে। এতে আরও বলা হয়, বৈঠকগুলোতেও এ ধরনের কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং আলোচনাগুলো অত্যন্ত ‘ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত’ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বৈঠকে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি ও বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়টি তুলে ধরেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী। এ সময় রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব‍্যাংক-আর্থিকখাতে সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছেন। দুই পক্ষই সম্মত হয়েছেন যে, কিছু বিষয় নিয়ে আরও আলোচনা করতে হবে। বিশেষ করে সরাসরি জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী।

কিছু ক্ষেত্রে দুই পক্ষের মতামত এক রকম হয়নি। তবে দুই পক্ষই একমত হয়েছেন যে, আলোচনা চলমান থাকবে এবং আলোচনার মধ‍্য দিয়ে সব বিষয়ে একমত হওয়া সম্ভব হবে।

আইএমএফ পরিষ্কার করে বলেছে, আইএমএফ বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীজন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সময়কালে উন্নয়নের অংশীজন হয়েই আইএমএফ বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।

আরও খবর

Sponsered content