মোঃ নুরুজ্জামান শেখ গাজীপুরঃ ২৩ আগস্ট ২০২৬ , ১১:৩০:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ
গাজীপুর মহানগরীর গাছা ও টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে র্যাব-১। অভিযানে অবৈধ পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে দুটি কারখানা সিলগালা করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ পলিথিন ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় একজনকে এক মাসের কারাদণ্ডসহ মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৩ আগস্ট ২০২৬) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমান ও নূর নাহিন নিশাদ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর গাজীপুরের পরিদর্শক মো. রাকিবুল হাসান। এ সময় র্যাব-১, সিপিসি-১-এর একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
গাছার মাদবর বাড়ি এলাকার আব্দুল খালেক সরকারকে অবৈধ পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রির অপরাধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ১ লাখ ৫০ হাজার এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় তার কারখানা থেকে ৫৩১ কেজি পলিথিন রোল ও ৪৭৯ কেজি কাঁচামাল (দানা) জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়।
একই অপরাধে টঙ্গীর হকের মোড় এলাকার মো. শহিদুল্লাহকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ১ লাখ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ লাখ টাকাসহ মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার কারখানা থেকে ১৩৭২ কেজি পলিথিন রোল, ১৮২ কেজি পলিথিন ব্যাগ ও ৩০২ কেজি কাঁচামাল জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।
টঙ্গীর হকের মোড় এলাকার টিটু নামের আরেক ব্যক্তিকে ওজন পরিমাপ মানদণ্ড আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে আদায়কৃত জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া জব্দকৃত মোট ১৯০৩ কেজি পলিথিন (রোল ও ব্যাগ) এবং ৭৮১ কেজি পলিথিনের কাঁচামাল পরিবেশ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।





















