প্রতিনিধি ২৫ আগস্ট ২০২৬ , ১২:৩৭:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধারণ করে তৈরি করা জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি জাদুঘর দেখতে আসছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও। বিষয়টি নিয়ে নিয়মিতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা ও ভাবনার কথা তুলে ধরছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
গতকাল সোমবার জাদুঘরের একই কক্ষের দুই সময়ের দুটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন ফারুকী। ছবিগুলোর মাধ্যমে কক্ষটির অতীত ও বর্তমানের পরিবর্তন তুলে ধরেছেন তিনি।
ফারুকী লিখেছেন, ‘এক সময় এই ঘরে প্রেস কনফারেন্স নামে সেই অদ্ভুত জিনিসগুলো হইতো। তারপর আসলো ৩৬ জুলাই। আমরা ঘরটা এই রকম পাইলাম। জনতার ক্ষোভের দাগ সর্বত্র।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কক্ষটিরও পরিবর্তন হয়েছে। ফারুকীর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এর নাম ‘মুনসুন থিয়েটার’। সেখানে প্রতিদিন সিনেমা প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে গত ১৬ বছরের ইতিহাস।
নির্মাতা লিখেছেন, ‘আর এখন এটার নাম মুনসুন থিয়েটার। এখানে প্রতিদিন চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে ১৬ বছরের ইতিহাস দেখেন দর্শনার্থীরা। অনেকগুলো শো হয়।’
শুধু বড়দের নয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও নজর কেড়েছে ফারুকীর। সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত একটি প্রদর্শনীর ছবি পোস্ট করে তিনি জানান, নির্ধারিত শনিবারের বাইরেও স্কুলশিক্ষার্থীরা জাদুঘর দেখতে আসছে।
ফারুকী লিখেছেন, ‘ছবিতে অনেক স্কুল ছাত্রদের দেখা যাচ্ছে। তার মানে স্কুল ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত শনিবারের বাইরেও তারা যাচ্ছে। ভেরি ইন্সপায়ারিং।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তার তত্ত্বাবধানেই শুরু হয়েছিল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের কাজ।















