মিজানুর রহমান মিন্টু, স্টাফ রিপোর্টার ৮ মে ২০২৬ , ১১:৪১:২৫ প্রিন্ট সংস্করণ
কক্সবাজারের টেকনাফের জিরো পয়েন্ট থেকে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চার তরুণ। গত ২১ এপ্রিল শুরু হওয়া এই ব্যতিক্রমী অভিযানের সমাপ্তি ঘটে আজ শুক্রবার, টানা ১৭ দিন ১৪ ঘণ্টা পর।
চার তরুণের মধ্যে তিনজন পুরো পথ দৌড়ে এবং একজন সাইকেলে তাঁদের সঙ্গে থেকে এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পন্ন করেন। যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা, নারী শিক্ষা ও শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা। পাশাপাশি তাঁরা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত দ্রুততম সময়ে পৌঁছে নতুন একটি রেকর্ড গড়ার চেষ্টাও করেন।
অভিযান শেষে তরুণরা জানান, এটি শুধুমাত্র একটি ম্যারাথন ছিল না; বরং তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কাজে উদ্বুদ্ধ করার একটি প্রচেষ্টা। তাঁদের ভাষায়, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে বড় লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।
এই দীর্ঘ অভিযানে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে দলটিকে। কখনো তীব্র রোদ, কখনো মুষলধারে বৃষ্টি, আবার কখনো গভীর রাতে নির্জন মহাসড়ক পাড়ি দিতে হয়েছে তাঁদের। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল যমুনা নদী অতিক্রম করা। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তাঁরা প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ সাঁতরে নদী পার হন।
এই অভিযানে অংশ নেওয়া চার তরুণ হলেন নোয়াখালীর আসিফুল হক (পাভেল), টাঙ্গাইলের এহসানুল হক (সানি), পঞ্চগড়ের আসিফ আকবর এবং কক্সবাজারের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তাঁদের মধ্যে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাইকেলে এবং বাকি তিনজন দৌড়ে পুরো পথ অতিক্রম করেন। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন আসিফুল হক।
তেঁতুলিয়ায় পৌঁছানোর পর জাতীয় পতাকা হাতে আবেগঘন মুহূর্তে বিজয়ের হাসিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন তাঁরা।
এই চ্যালেঞ্জিং অভিযানে টাইটেল স্পনসর হিসেবে যুক্ত ছিল Opsonin Pharma Limited। এছাড়া সহযোগিতা করেছে Wave Lifestyle, Brothers United Club, Travelgraph, Bairag Munshi Security Service Limited, Wear Collects এবং Run for Bangladeshসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।




















