প্রতিনিধি ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৬:১৬:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ
খুলনা নগরীতে ড্রেন ও সড়কের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হলেও বর্তমানে ডেঙ্গুর মূল ঝুঁকি বাসাবাড়ি ও কার্যালয়ের ভেতরের জমে থাকা পানিতে বলে সতর্ক করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নগরীতে আয়োজিত পৃথক দুটি কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি নগরবাসীকে নিজ নিজ ঘরবাড়ি ও চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান।
কেসিসি প্রশাসক বলেন, ড্রেনগুলোতে মশার উপস্থিতি বর্তমানে নেই বললেই চলে, তবে ঘরের ভেতরের বা বারান্দার টব, ডাবের খোসা, টায়ার ও ডাস্টবিনের জমে থাকা পানিতে এডিস মশার প্রজনন বাড়ছে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ‘শহরের প্রতিটি বাড়ি ব্যক্তিগতভাবে পরিষ্কার করার মতো সামর্থ্য কেসিসির নেই।’ ফলে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে নগরবাসীর সক্রিয় সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অত্যাবশ্যক।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসার অংশ হিসেবে কেসিসি নগরীর আটটি ‘রেড জোনে’ আটটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে। এছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও পৃথক ডেঙ্গু ইউনিট চালু করা হয়েছে। নগরবাসীকে জ্বর অনুভূত হওয়া মাত্রই অবহেলা না করে নিকটস্থ মেডিকেল ক্যাম্পে নিখরচায় চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরীর স্বল্প আয়ের ৪০০টি পরিবারের মাঝে মশারি বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কেসিসি কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’-এর সহায়তায় ৩০০টি এবং দৌলতপুরের শহীদ জিয়া কলেজ অডিটোরিয়ামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হাসিমুখ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ১০০টি পরিবারের মাঝে এ মশারি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানগুলোতে কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুরভী বিশ্বাস, হাসিমুখ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সৈয়দ নওসুদুজ্জামান পল্টু এবং শহীদ জিয়া মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. তারিকুল ইসলামসহ স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





















