প্রতিনিধি ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১:০৪:৩৬ প্রিন্ট সংস্করণ
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাময়িক টানাপড়েন কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফরের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে দুই দেশের কর্মকর্তারা আবারও আলোচনা শুরু করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে সুবিধাজনক সময়ে এ সফর আয়োজনের চেষ্টা চলছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকায় দুই দেশের কর্মকর্তাদের বৈঠক অব্যাহত রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্ভাব্য আলোচ্যসূচিও তৈরি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক সম্পর্কের অস্থিরতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য স্বাভাবিক করা এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা সফরের আলোচ্যসূচিতে থাকতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপড়েনের অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তিনি ভারতে রয়েছেন। তাকে ফেরত পাঠাতে ঢাকার অনুরোধের বিষয়টিও দুই দেশের সম্পর্কে একটি সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবে রয়েছে।
এর মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি মোদির সুস্বাস্থ্য ও ভারতের জনগণের সেবায় তার অব্যাহত কর্মশক্তি কামনা করেন। জবাবে মোদি তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং তার শুভেচ্ছার প্রশংসা করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফর করবেন। এরপর অক্টোবর ও নভেম্বরে তার একাধিক কূটনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যেই নভেম্বরে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের সূচি নির্ধারণের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে দ্য হিন্দু।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দুই দেশের কর্মকর্তাদের এসব বৈঠক সফরের প্রস্তুতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার অংশ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে।
এর আগে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তিনি সম্মেলনে অংশ নেননি এবং বাংলাদেশও কোনো সরকারি প্রতিনিধি পাঠায়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পরে জানান, তারেক রহমানকে ভারত আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছিল।





















