প্রতিনিধি ১৯ জুন ২০২৬ , ১:০২:১৪ প্রিন্ট সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করতে কার্যকর হয়েছে বহুল আলোচিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)। তবে এই স্মারকে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয়টি উল্লেখ থাকায় হিজবুল্লাহ এটিকে তাদের ‘বিজয়’ হিসেবে উদ্যাপন করছে। অন্যদিকে ইসরায়েল এখনো লেবাননের একটি অংশকে ‘বাফার জোন’ হিসেবে ধরে রেখেছে।
আসন্ন কয়েক দিন ও সপ্তাহে লেবাননে কী ঘটে, সেটিই নির্ধারণ করতে পারে এই অন্তর্বর্তী চুক্তিটি টিকে থাকবে কি না।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননই বর্তমানে এই চুক্তির জন্য সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ইরান ও হিজবুল্লাহ উভয়ই বলেছে, চুক্তির ভাষায় লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার কথা উল্লেখ থাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উচিত দেশটির দক্ষিণাঞ্চল থেকে সরে যাওয়া।
তবে ইসরায়েলি পক্ষ থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। বরং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার মন্ত্রীরা বিভিন্ন বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তারা সেখানে অবস্থান বজায় রাখতে এবং তথাকথিত বাফার জোন কার্যকর রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে দক্ষিণ লেবাননে তাদের কার্যক্রমের এলাকা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে বলে দেখা যায়। সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, লিটানি নদীর উত্তরে লেবাননের আরও গভীরে প্রয়োজনে হামলা চালানোর সম্ভাবনাও তারা উড়িয়ে দিচ্ছে না।




















