রবিউল ইসলাম হরিণাকুণ্ডু, উপজেলা প্রতিনিধিঃ ৬ অক্টোবর ২০২৬ , ৮:৪৪:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার আন্দুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিশ্চিতকরণ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় সম্মেলন কক্ষে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. সাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক ইমরুল কায়েসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। পবিত্র কোরআন ও গীতা পাঠের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাসুদুল হক টিটু। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য দেন হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসের মোছা. আব্দুল বারী, আন্দুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ মাহবুব ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মাসুরা খাতুন, সহকারী শিক্ষা অফিসর ফিরোজ আলম, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও ‘হরিণাকুন্ডু বার্তা’র চেয়ারম্যান মোঃ রবিউল ইসলামসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রাক্তন শিক্ষক ও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক।
বক্তারা বলেন, “আপনাদের সন্তান ঠিকমতো পড়াশোনা করছে কি না এবং নিয়মিত স্কুলে আসছে কি না, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সজাগ থাকতে হবে। এছাড়া সন্তান কোনো ধরনের মাদক বা নেশাদ্রব্যে আসক্ত হচ্ছে কি না, তা কঠোরভাবে নজরদারি করতে হবে।” স্কুলে আসার নাম করে শিক্ষার্থীরা কোনো বাজে আড্ডায় যুক্ত হচ্ছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
প্রধান শিক্ষক তার বক্তব্যে অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা নিয়মিত সন্তানদের কাছে শুনবেন তারা ঠিক সময়ে বাড়ি ফিরছে কি না। স্কুল ছুটির কথা বললে প্রয়োজনে আমাদের ফোন করে জেনে নেবেন আসলেই স্কুল বন্ধ ছিল কি না। দয়া করে মাঝে মাঝে স্কুলে এসে সন্তানের পড়াশোনার খোঁজখবর নেবেন। এমনকি শুধু এক কাপ চা খাওয়ার উসিলায় হলেও স্কুলে আসবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা।”
সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও পরিকল্পনা সম্পর্কে শোনেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ে নামক সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে থাকার কঠোর নির্দেশ দেন এবং নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, “আমি প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেব তোমরা ঠিকমতো পড়াশোনা করছ কি না।”





















