সাঈদ ইবনে হানিফ ৩০ মে ২০২৬ , ২:১৩:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ
রাস্তার দুই ধারে দীর্ঘ সারি। প্রচণ্ড গরম আর তীব্র রোদ উপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন হাজারো নারী-পুরুষ। প্রায় দেড় কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত সেই লাইনে ছিল অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের উপচেপড়া ভিড়।
ঈদের পরদিন শুক্রবার এমন দৃশ্য দেখা গেছে যশোরের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের গাইদগাছি গ্রামে। জানা গেছে, এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. ফারুক হোসেন মোড়ল অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য এ বছর ১৭টি গরু কোরবানি দিয়েছেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সকাল থেকেই বসুন্দিয়া মোড় সংলগ্ন গাইদগাছি গ্রামের গোশত বিতরণ কেন্দ্রে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ জড়ো হন। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি সত্ত্বেও সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ, আনসার সদস্য এবং মোড়ল ফারুক হোসেনের নিজস্ব দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক।
গরু ক্রয় থেকে শুরু করে কোরবানির গোশত বিতরণ পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম নিজেই তদারকি করেন ফারুক হোসেন মোড়ল।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এ বছর প্রায় ১২ থেকে ১৩ হাজার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার ইচ্ছা রয়েছে।”
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরই ফারুক হোসেন মোড়ল বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। তবে এবার ১৭টি গরু কোরবানি দিয়ে হাজারো মানুষের মাঝে গোশত বিতরণের উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এদিকে, সুশৃঙ্খলভাবে গোশত বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা আয়োজকদের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।




















