আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১ মে ২০২৫ , ৫:০১:০৪ প্রিন্ট সংস্করণ
দখলদার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে তুরস্ক। নেতানিয়াহু আগামী ৭ মে আজারবাইজান সফরে যাচ্ছেন। তার জন্য এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানী বার্তা সংস্থা মেহের।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আজারবাইজান-ইসরাইল অ্যালায়েন্স (এআইএ) জানিয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘ক্যানাফ জায়োন’ (Kanaf Zion) বিমানটি ৭ মে সন্ধ্যায় আজারবাইজানে অবতরণ করবে।’
এদিকে ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ৭ মে বাকু পৌঁছাবেন এবং এই সফরে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য
এদিকে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকলেও তুরস্ক ও ইসরাইলের সম্পর্ক বিগত বছরগুলোতে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান বিপরীত হওয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বহুবার।
এ অবস্থায় যখন গাজা যুদ্ধের কারণে আঙ্কারা ও তেলআবিবের সম্পর্ক পুনরায় উত্তপ্ত, ঠিক তখন তুরস্কের এমন একটি সিদ্ধান্ত কূটনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করলেও, এই বিমান পারমিশনের মাধ্যমে আঙ্কারা একধরনের ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আজারবাইজান-ইসরাইল সম্পর্ক
অন্যদিকে আজারবাইজান ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তেল ও অস্ত্র বাণিজ্যে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে। তবে ইরান-সীমান্তবর্তী আজারবাইজানে ইসরাইলের উপস্থিতি নিয়ে তেহরান আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারেরই অংশ নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ককেশাস অঞ্চলে ইসরাইলের ভূরাজনৈতিক উপস্থিতি সুসংহত করার কৌশলেরও একটি দিক বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।




















