প্রতিনিধি ১৮ জুন ২০২৬ , ১:০২:৪৮ প্রিন্ট সংস্করণ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, অন্যান্য দেশের কাছে যখন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তখন ইরানকে পুরোপুরি এ ধরনের সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা অন্যায্য হতে পারে। বুধবার (১৭ জুন) প্যারিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের ভাষায়, যদি আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক অন্যান্য শক্তির কাছে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাকে, তাহলে ইরানকে একেবারে বাদ দেওয়া ‘ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দেখা যায় না।
তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, সৌদি আরব, কাতারসহ একাধিক দেশের সামরিক সক্ষমতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, একই মানদণ্ডে ইরানের ক্ষেত্রেও সীমিত কিছু সক্ষমতা থাকা তুলনামূলকভাবে যুক্তিসঙ্গত হতে পারে।
তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যু। তার মতে, ক্ষেপণাস্ত্র স্থানীয় লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত আঘাত হানতে পারে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র বৈশ্বিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে।
এদিকে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রেক্ষিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আপাতত বজায় থাকবে বলেও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা আরও কিছু সময় ওই অঞ্চলে আমাদের সেনা মোতায়েন রাখব।’
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি সামনে এসেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তুত করা ওই নথিতে উভয় পক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে অনলাইনে স্বাক্ষরের পর পরে শীর্ষ পর্যায়ের স্বাক্ষরের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয় সমঝোতাটি। এখন এটি বাস্তবায়নের ধাপে প্রবেশ করছে বলে জানানো হয়েছে।














