প্রতিনিধি ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৯:১১:০৮ প্রিন্ট সংস্করণ
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকা দিনগুলোর জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে বিল না নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।
আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দেওয়া একটি নোটিশের ওপর আলোচনায় তিনি এ দাবি জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদ সদস্য বলেন, ‘ঢাকার শ্যামপুর, পোস্তগোলা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ৮০% বাসাবাড়িতে বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাসিন্দাদের বলেছিলাম, ধীরে ধীরে সংকট কমবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রায় ৮০% বাসাবাড়িতে গ্যাস নেই।’ গ্যাস সংকটের কারণে শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও জানান এই সংসদ সদস্য।
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন সতর্ক করে বলেন, ‘শিল্প মালিকেরা আমাকে জানিয়েছেন, তাদের উৎপাদন ৫০% কমে গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা মাত্র ৩০% উৎপাদন সক্ষমতায় কারখানা চালাচ্ছেন। এই সংকট অব্যাহত থাকলে এলাকার শিল্পকারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং এতে বেকারত্ব বাড়বে।’
ঢাকা-৪ আসনের বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে এবং শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক গ্যাস প্রবাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান জয়নুল আবেদীন।
একইসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না কেন এবং কবে নাগাদ স্বাভাবিক সরবরাহ চালু হবে, তা গ্রাহকদের স্পষ্টভাবে জানানোর দাবি জানান তিনি।
জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘একই সময়ে যেসব দিন গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না, সেসব দিনের জন্য গ্রাহকদের বিল নেওয়া উচিত নয়। দেখা যাচ্ছে, গ্যাস না পেয়েও গ্রাহকদের বিল পরিশোধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটি বন্ধে মন্ত্রীকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়া ঠেকানোর অঙ্গীকারের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’





















