সারাদেশ

‘তুলে নেওয়ার’ পর মিলল যুবকের মরদেহ

  প্রতিনিধি ২৯ অক্টোবর ২০২৬ , ৪:৪৬:২১ প্রিন্ট সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে নুরে আলম কাগজী (৩১) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ কাঠিপাড়া এলাকার কতবেলতলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে মুখোশধারী সাত থেকে আটজন তাকে একটি ভাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

নুরে আলম উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের নৈকাঠি এলাকার আফসার আলী কাগজীর ছেলে। আজ সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এসআরবি ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় কামরুল নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অটোরিকশাচালক জাকির তার স্ত্রী ময়নাকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। নুরে আলমের সঙ্গে ময়নার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে মনে করেন স্থানীয়রা। ময়নার চাচা পরিচয়ে নুরে আলম ওই বাসায় প্রায়ই রাতযাপন করতেন। এ নিয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে নুরে আলমের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ময়না আক্তারের অভিযোগ, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে মুখোশ পরা সাত থেকে আটজন চাপাতি দেখিয়ে তাদের ভাড়া বাসা থেকে নুরে আলমকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার কী হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে সড়কে এক যুবককে উলঙ্গ ও আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ওই যুবক নিজেকে সাতুরিয়ার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে তার স্ত্রী ও সন্তান থাকার কথা জানান। শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি তাকে সেখানে ফেলে গেছেন বলেও দাবি করেন। পরে স্থানীয় মো. মিজানুর রহমান ওই যুবককে আহত অবস্থায় দেখে সাহায্যের জন্য লোকজন ডাকতে যান। ফিরে এসে তাকে সড়কের পাশের নালার পানিতে পড়ে থাকতে দেখেন।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আরও খবর

Sponsered content