আইন-আদালত

নতুন দুই মামলায় গ্রেপ্তার শাহজাহান ওমর, ‘মীর জাফর’ বলে দুয়ো ধ্বনি

  প্রতিনিধি ৩১ আগস্ট ২০২৬ , ২:৪৯:০৮ প্রিন্ট সংস্করণ

জুলাই আন্দোলনের পৃথক দুই হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার সিএমএম আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর এই আদেশ দেন।

এদিন শুনানিকালে শাহজাহান ওমরকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তোলার সময় তাকে দেখে কয়েকজন বিচারপ্রার্থী ‘মীর জাফর’ ওভুয়া, ভুয়া বলে সম্বোধন করেন।

গ্রেপ্তার দেখানো মামলার মধ্যে বনানী এলাকায় কিশোর সোহাগ হত্যাচেষ্টা মামলায় অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ এবং মিরপুর থানার মো. মুক্তার হোসেন হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই জুয়েল সরকার ২৪ আগস্ট এবং মিরপুর থানার এসআই আজিজুল হক ২৫ আগস্ট শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

মুক্তার হোসেন হত্যাচেষ্টার মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৪ অগাস্ট দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত মিরপুর-১০ এ সুইমিং পুল ও ফায়ার সার্ভিসের সামনে রাস্তায় অবস্থান করেন মো. মুক্তার হোসেন। পুলিশের ছোঁড়া রাবার বুলেটে আহত হন তিনি। এরপর তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে পড়ে তিনি মামলা দায়ের করেন।

সোহাগ হত্যাচেষ্টার মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বনানী এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন সোহাগ। দুপুর ২টার দিকে দুটি বুকে গুলি লাগে তার। তাকে উদ্ধার করে মহাখালীর মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে।

পরে তাকে শমরিতা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক অপারেশন করে একটি গুলি বের করেন। অপর গুলিটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অপারেশন করে আরেকটি গুলি বের করা হয়।

২১ জুলাই সোহাগের বাসায় গিয়ে হামলা করা হয়। এ ঘটনায় সোহাগের বাবা বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন।

আরও খবর

Sponsered content