প্রতিনিধি ১২ জুলাই ২০২৬ , ১:১৮:১০ প্রিন্ট সংস্করণ
ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পাহাড় থেকে ৩০০ ফুট নিচে পড়ে গুরুতর আহত মা হাতিটি মারা গেছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে, গতকাল শনিবার দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়ালঘোনা পাহাড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পাহাড়ের চূড়ায় গাছ ও লতাপাতা খাওয়ার সময় হাতিটি ৩০০ ফুট নিচে গড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে তা ধসে পড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। হাতিটির লম্বায় প্রায় ৩০ ফুট, উচ্চতা ১০ ফুটের মতো। খবর পেয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে টেকনাফ উপজেলা প্রাণিসম্পদ ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হাতিটিকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।
টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ বলেন, আহত হাতিটির সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চলছিল। তবে আজ রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে সেটি মারা যায়। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড় থেকে পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর হাতিটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকেরা চেষ্টা চালিয়েছিলেন। বর্তমানে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে।
বন বিভাগ জানিয়েছে, শিয়ালঘোনা পাহাড়ে এশীয় প্রজাতির অন্তত ২৩টি বন্য হাতির বিচরণ রয়েছে। চলমান ভারী বর্ষণে পাহাড়ি বনাঞ্চলের ঢাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বন্য প্রাণীর দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়েছে।





















